দারিদ্র শিশুদেরকে মানব সম্পদে পরিণত করতে হবে-এমপি প্রিন্স

রফিকুল ইসলাম সুইট : পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হানিার নেতৃত্বে দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন সারাবিশে^ স্বীকৃত এবং প্রশংসিত। কোন শ্রেণী বা গোষ্ঠি ফেলে রেখে টেকসই উন্নয়ন হয় না। শেখ হাসিনার সরকার কাউকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন করার চেষ্ঠা করছে না। পিতামাতাহীন, পথ শিশু, ভুমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধি, এতিম, স্বামীপরিত্যাক্তা, বয়স্ক সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। সরকারি শিশু পরিবার সম্পর্কিত কাজ একটি মহৎ এবং মানবিক কাজ। পাবনায় সরকারি শিশু পরিবার নিবাসীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও পুর্নবাসন নিয়ে সরকার কাজ করছে। সরকারের পাশাপাশি পাবনার বৃত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। পিছিয়ে থাকা অসহায় দারিদ্র শিশুদেরকে শিক্ষিত করে মানব সম্পদে পরিণত করতে হবে।

রোববার দুপুরে পাবনা সরকারি শিশু পরিবার এর আয়োজনে সরকারি শিশু পরিবার ক্যাম্পাসে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি প্রিন্স এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক বিশ^াস রাসেল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. রাশেদুল কবীর, ড. সালেহ মোহম্মদ আলী, সংবাদ পত্র পরিষদের সভাপতি আব্দুল মতীন খান, বাসস প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম সুইট, সহকারী পরিচালক গোলাম সরোয়ার, দেওয়ান মাজহারুল ইসলাম, আব্দুস মাসুদ লাল, মো. নাজিম উদ্দিন, প্রবেশন কর্মকর্তা পল্লব ইবনে শায়খ, কর্মকর্তা হাফিজ আহমেদ, উপ তত্ত্ববধায়ক সুবর্ণা সরকার, শিক্ষক নাজমা সুলতানা, শিক্ষক মাজেদুন নেছা, শিক্ষক ফজলুর রহমান, হালিমা খাতুন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের নেচে গেয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সরকারি শিশু পরিবারের নিবাসী শিক্ষার্থীরা।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
রফিকুল ইসলাম সুইট : হাসপাতালে চিকিৎসক-কর্মচারীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, প্রশাসনিক কোন সহযোগিতা না করা এবং এক চিকিৎসক শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত হবার ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহন না করার অভিযোগে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারি পরিচালককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন চিকিৎসক-কর্মচারীরা।
রোববার সকাল আটটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসক কর্মকর্তারা একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। সাড়ে আটটার দিকে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ওমর ফারুক মীর প্রশাসনিক ভবনে তার চেম্বারে ঢুকতে গেলে চিকিৎসক কর্মকর্তারা বাঁধাদেয়। এসময় বিক্ষোভকারীদের সাথে সহকারী পরিচালকের ধাক্কাধাক্কি হয়। এক পর্যায় বিক্ষোভকারীরা সহকারী পরিচালক কে হাসপাতালে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ এই সহকারী পরিচালক হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার মধ্যদিয়ে হাসপাতালের প্রশাসনিক কাজ চালাচ্ছেন। সম্প্রতি পাবনা সদর উপজেলার টেবুনিয়া বাজার এলাকায় কতিপয় সন্ত্রাসী পাবনা জেনারেল হাসপাতালের নাক.কাল গলা বিশেজ্ঞ ডাঃ কামরুজ্জামান নয়নকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে। বিষয়টি হাসপাতালের পরিচালককে জানানো হলেন তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
অবাঞ্ছিত ঘোষনার বিষয়ে সহকারী পরিচালক ডাঃ ওমর ফারুক মীর বলেন, অফিসের মধ্যে রয়েছি। বাইরে বেশকিছু চিকিৎসক ও কর্মচারীরা অবস্থান করছেন। অবরুদ্ধ নাকি অবাঞ্ছিত সেটা আমি নিশ্চিত নই।
অযোগ্য,অদক্ষ, অসৌজন্যমূলক আচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, নতুন যোগদান করেছি। অনেকেই নানা তদবির, সুপারিশ, সুযোগ সুবিধা অনৈতিক ভাবে না পেয়ে আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এটা তারই বর্হিপ্রকাশ।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আবুল কালাম বলেন, চিকিৎসক কামরুজ্জামান নয়ন থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন। মামলা নয়। জিডি গ্রহনের পর নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে পুলিশ।
পাবনার সিভিল সার্জন ডাঃ মনিসর চৌধুরী বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি। তবে লোক মুখে শুনেছি সহকারী পরিচালককে অবরুদ্ধ বা অবাঞ্ছিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমাকে লিখিত ভাবে জানালে বিষয়টির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *