এসব তারকাদের যত মুদ্রাদোষ

বিনোদন: ‘ধুর’, ‘তাইতো’, ‘বুঝলা’, ‘মানে’, ‘তারপর’ এ ধরণের শব্দ মানুষ সচরাচর কথা বলার সময় নিজের অজান্তেই বিনা কারণে ব্যবহার করে থাকেন। কথা বলার সময় এ রকম অনর্থক শব্দ ব্যবহার করাকে মুদ্রাদোষ বলা হয়। মানুষ স্বভাবগতভাবে এ কাজগুলো করে থাকলেও এসব যে মুদ্রাদোষ তা নিজেও বুঝতে পারেন না।

পর্দায় তারকারা প্রয়োজনের বাইরে শব্দ উচ্চারণ না করলেও, ব্যক্তিগত জীবনে একই শব্দ কথায় কথায় ব্যবহার করে থাকেন। এমন মুদ্রাদোষ শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকারই রয়েছে।

এ বিষয়ে ঢালিউডের কয়েকজন তারকার সঙ্গে কথা বলেছেন সংবাদ মাধ্যেমের এক প্রতিবেদক। তাদের মুদ্রাদোষ নিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রতিবেদন।

রত্না
সাধারণভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় কোন শব্দ বেশি ব্যবহার করেন, যেটাকে মুদ্রাদোষ হিসেবে ধরা হয়? এমন প্রশ্ন শুনে রত্না বলেন, ‘‘তাই নাকি?’ তারপর রতœা আবার বলেন, ‘তাই নাকি’ শব্দটাই আমার কমন শব্দ।’’
জায়েদ খান
ঢালিউডের এই চিত্রনায়ক বলেন, ‘আমি সবসময় কথায় কথায় ‘ইনশাল্লাহ’ শব্দটি বেশি ব্যবহার করি। এটা আমার ঠিক মুদ্রাদোষ নয়, স্বভাবজাত ব্যাপার।’

শাহনূর
মুদ্রাদোষ কোনটি জানতে চাইলে এ অভিনেত্রী হাসতে হাসতে বলেন, ‘‘আমি কারো সঙ্গে কথা বলার সময় কথার ফাঁকে ফাঁকে হাসি। এই মূহুর্তে এটাই মনে হচ্ছে। এ ছাড়া আর দুটি শব্দ বেশি বলি তা হলো ‘ধুত’ এবং ‘ঘোড়ার ডিম’।’’
আনিসুর রহমান মিলন

‘কমন শব্দ তো আছে-ই। তবে সেটা কি তা এখন বলতে পারছি না। কমন শব্দ কোনটি তা কখনো ভেবেও দেখিনি। একটু ভাবলে হয়তো মনে পড়বে’ বলেন মিলন। কিছুক্ষণ পর এ অভিনেতা বলেন, ‘‘আসলে’ হলো আমার কমন শব্দ। সব কথায় আমি ‘আসলে’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকি।’’

সাইমন সাদিক
মুদ্রাদোষের কথা শুনে দ্বিধায় পড়ে যান চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। তার ভাষায়Ñ‘‘আমি এ রকম কোনো শব্দ ব্যবহার করি না। তবে সচরাচর ‘ধুর’ শব্দটি বলে থাকি। এ ছাড়া মাঝে মাঝে ‘তাই’ শব্দটিও ব্যবহার করি।’’

আঁচল আঁখি
কথার শুরুতে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কোনো মুদ্রাদোষ নেই। এ রকম কিছু বলি বলে মনে পড়ছে না।’ ভাবার জন্য একটু সময় চেয়ে নেন আঁচল। একটু ভেবেই তিনি বলেন, ‘‘ধুর’ এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না। আসলে এটিই (ধুর) আমার মুদ্রাদোষ। সবার সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের অজান্তেই অনেকবার বলি ‘ধুর’।’’

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *