খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়া নির্ভর করছে আদালতের ওপর: ইসি রফিকুল 

বিশেষ প্রতিবেদক: দুটি মামলায় সাজা পাওয়া বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নির্ভর করবে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যদি তাঁর সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করেন এবং আদালত যদি তাঁর সাজা স্থগিত রেখে আপিল গ্রহণ করেন, তাহলেই তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম।

সোমবার রাজধানী আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন রফিকুল ইসলাম। রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন যদি আদালত তাঁর (খালেদা জিয়া) সাজা স্থগিত না করে আপিল গ্রহণ করেন, তখন আমরা তাঁকে প্রার্থী হিসেবে গণ্য করতে পারব না। কিন্তু আদালত যদি তাঁকে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য মনে করে কোনো ক্লিয়ারেন্স দেন, তখন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা তাঁকে প্রার্থী করে নিতে পারব। নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে কাজ করি না। কোনো ব্যক্তি যদি দুই বছরের বেশি কারাদ-প্রাপ্ত হন, একটি নির্দিষ্ট সময় পার না হলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। আর তিনি (খালেদা জিয়া) নির্বাচন করবেন কি না, সেটাও আমরা জানি না। আদালত যদি আপিলের আবেদনটি গ্রহণ করেন, তাহলে ওঁদের মতো লোকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। তবে সবকিছু নির্ভর করবে আদালতের ওপর। আদালত যেভাবে আদেশ দেবেন, আমরা সেভাবে কাজ করব। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা রাষ্ট্রের মুখপাত্র। রাষ্ট্রে সরকার আছে, বিরোধী দল আছে। সবকিছু আছে। আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না। সংবিধান রক্ষার শপথ নিয়ে আমরা এই দায়িত্ব নিয়েছি। ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে যদি আমরা আইনি কাঠামো না পাই, তাহলে সংসদ ভোটে ইভিএম ব্যবহার করার প্রশ্নই আসে না। আইনি কাঠামো পেলে মিনিমাম হলেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে। ধরেন, ১০ শতাংশ আসনে ইভিএম ব্যবহার করার মতো আপাতত সক্ষমতা আছে ইসির। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কাবোধ আছে কি না জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে যেতে পারব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *