দুই কেজি ওজনের ‘কষ্টিপাথর’ পুলিশকে দিলেন স্বপ্না !

পিপ (পাবনা) : পাথরটি কষ্টিপাথরই। দেখানোর পর দুই সোনার দোকানি পরীক্ষা করে বিষয়টি জানিয়েছেন। নিশ্চিত হওয়ার পর পাথরটি এএসপি স্যারের কাছে দেওয়া হয়েছে। এ কথা স্বপ্না খাতুনের। স্বপ্না খাতুনের বাড়ি পাবনার চাটমোহরের বাহাদুরপুর গ্রামে, বাবার নাম গোলজার শেখ। শনিবার (৩ অক্টোবর) প্রায় দুই কেজি ওজনের পাথরটি পুলিশের হাতে তুলে দেন তিনি।

সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) সজীব শাহরীন বলছেন, পাথরটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। সেটি সত্যি কষ্টিপাথর কিনা, যাচাই করা হবে। কষ্টিপাথর হলে প্রতœতত্ত্ব অধিদফতের কাছে হস্তান্তর করা হবে। স্থানীয় স্বর্ণকারদের কাছে পাথরটি কষ্টিপাথর বলে মনে হয়েছে বলে শুনেছি।

পাথরটি পাওয়ার আদ্যোপান্ত সম্পর্কে স্বপ্না খাতুনের ভাষ্য, প্রতিবেশি বেবী খাতুনের কাছে থেকে পাথরটি চেয়ে নেন। তিনি পাথরটি শিল নোড়া হিসেবে ব্যবহার করেতন। শিল নোড়াটি সাধারণ পাথরের না মনে হয়েছিল। বেবী খাতুনকে এক হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পাথরটি নেন। পরে প্রথমে রোজি কুটির শিল্প ও পরে রায় জুয়েলার্সের মালিককে দেখান। পাথরের ওপর সোনা ঘষে এবং অ্যাসিড-ছাই দিয়ে পরীক্ষা করেন তারা। এরপর দুজনই জানান পাথরটি কষ্টিপাথর। বেবী খাতুন গ্রামটির বাসিন্দা সাজু হোসেনের স্ত্রী। সোনার দোকান দুটি চাটমোহর সদরের সোনাপট্রি এলাকায়।

রায় জুয়েলার্সের পরিচালক রনি রায় বলছেন, ওই নারী আমার দোকানে এসেছিলেন। সোনা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত কষ্টিপাথরে সোনা ঘোষলে যে দাগ হয়, পাথরটিতেও সাদৃশ্যপূর্ণ দাগ পেয়েছিলাম। তাই মনে হয়েছে পাথরটি কষ্টিপাথর হতে পারে। পাথরটির ওজন ১ কেজি ৯০০ গ্রামের মতো। কষ্টি পাথরের দাম সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। প্রতিক্রিয়ায় সজীব শাহরীন বলছেন, পাথরটি কষ্টিপাথর হলে অবশ্যই তার কাজটি প্রশংসার।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *