দোকানে নারী ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে বাকবিত-া! মিশ্র প্রতিক্রিয়া

পিপ (পাবনা) : পাবনার চাটমোহরের পৌরসদরে ওষুধ বেচাকেনা নিয়ে এক নারী ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বাকবিত-ার ঘটনা ঘটেছে। নিজের স্ত্রীর সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়েছে দাবি করে এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী ক্রেতার স্বামী। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি চাটমোহর শাখার সভাপতি বরাবর দেয়া অভিযোগে বিক্রেতাকে দোষারোপ করা হয়েছে। তবে বিক্রেতা অশোভন আচরণের অভিযোগটা অস্বীকার করেছেন। এদিকে এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে সচেতন মহলে। ক্রেতার সঙ্গে বিশেষত নারী ক্রেতার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা বিক্রেতাদের সমীচিন নয় বলে মনে করেছেন। শনিবার পুরাতন বাজারের বুশরা ফার্মেসীতে বাকবিত-ার এ ঘটনা ঘটে। নিজের মায়ের ওষুধ কিনতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা নাজমা রহমান নীপা।
অভিযোগে জানা গেছে, চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ফার্মেসীটির মালিক ইয়াছিন আলীর কাছে চাহিদা মতো ওষুধ চান নীপা। এ সময় তার কাছে চাহিদা মতো ওষুধ নেই, তার চেয়ে পরিমাণে কম আছে বলে জানান ইয়াছিন আলী। বিষয়টি ফোনে নিজের স্বামীকে জানান নীপা। স্বামীর পরামর্শ অনুযায়ী ইয়াছিন আলীকে সেই কম পরিমাণ ওষুধই দিতে বলেন নীপা। এ সময় ইয়াছিন আলী ধমকের সুরে কথা বলাসহ তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তার আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজের মাকে ভর্তি করেন নীপা। সেখান থেকেই তাকে ব্যবস্থাপত্রটি দেয়া হয়। অন্য কোন ফার্মেসীতে ওষুধটি না পেয়ে ইয়াছিন আলীর ফার্মেসীতে গিয়েছিলেন নীপা।
বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি চাটমোহর শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ওষুধ ব্যবসায়ী ইয়াছিন আলী বলেন, ওই নারী ক্রেতার সাথে খারাপ আচরণ করা হয়নি। তিনি ৬টি ওষুধ চেয়েছিলেন। আমার কাছে ৩টি ছিল। পরে তিনি ৩টি ওষুধ না নিয়ে ৬টিই দিতে বলেন। তখন তাকে বলেছিলাম তাহলে অন্য দোকান থেকে কিনে নেন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *