নওশাবার ভিন্ন রকম আয়োজন

বিনোদন: করোনাভাইরাসের প্রকপের দিনে ঘর বন্দি মানুষের মনোবল বাড়াতে অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার সংগঠন ‘টুগেদার উই ক্যান’ আয়োজন করেছে ঘরে বসে সৃজনশীল প্রতিযোগিতার। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই ছোট গল্প-কবিতা, শিশু আঙিনা, স্বল্পদৈর্ঘ্য, ফটোগ্রাফি, চিত্রকর্ম-ভাস্কর্য ও অলংকরণ-কার্টুন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা যবে।

এগুলো নির্বাচন ও তত্ত্বাবধান করবেন দুই বাংলাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী শিল্পীরা। ‘আর্ট ফর টুগেদারনেস’ শীর্ষক এই আয়োজনের স্লোগান দেওয়া হয়েছে ‘দূরে থেকেও জুড়ে থাকি, শিল্পের শক্তিতে’। এতে যুক্ত আছেন কলকাতার চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের গায়ক উপল সেনগুপ্ত, গৌরব চ্যাটার্জি, পাঞ্জাবি গায়ক রাজা কাশেফ, বাংলাদেশের নির্মাতা নূরুল আলম আতিক, দীপংকর দীপন, মেসবাউর রহমান সুমন, অভিনেত্রী বন্যা মির্জা, কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব, মোর্শেদ মিশু, সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, আনিসুল হক, সংগীতশিল্পী শফি ম-ল, রুবাইয়াত জাহান, হলিউডের অ্যানিমেটর ওয়াহিদ ইবনে রেজা প্রমুখ।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিত্রকর্ম ও ভাস্কর্য বাছাই করবেন শিল্পী শেখ আফজাল হোসেন, জামাল আহমেদ, কনকচাঁপা চাকমা, মোস্তফা পলাশ ও কলকাতার দেবদত্ত গাঙ্গুলি। আলোকচিত্র দেখবেন মাহমুদ রহমান, সাজ্জাদ হোসেন, তাহসিন রহমান, শাহাদাত পারভেজ, নাসিফ ইমতিয়াজ ও কলকাতার মালা মুখার্জি।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বাছাই ও তত্ত্বাবধান করবেন নূরুল আলম আতিক, দীপংকর দীপন, কামাল বায়েজিদ, লিসা গাজী, মেসবাউর রহমান সুমন, কলকাতার অনির্বাণ চ্যাটার্জি ও অভিজিৎ চৌধুরী। শিশু আঙিনার বিচারক সেলিনা হোসেন, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, আহসান হাবীব, মোহাম্মদ আলী হায়দার, বন্যা মির্জা, নবনীতা চৌধুরী, মুনিরুল ইসলাম, লুৎফর রহমান রিটন ও কলকাতার স্মারক রায়। ছোটগল্প ও কবিতা বাছাই করবেন আনিসুল হক, রাশিদা সুলতানা, শাহজাহান সৌরভ, শুভাশিস সিনহা এবং কলকাতার সাদিক হোসেন ও অনির্বাণ মজুমদার।

কার্টুন ও অলংকরণে সব্যসাচী হাজরা, মোর্শেদ মিশু, রিশাম শাহাব তীর্থ, কলকাতার উপল সেনগুপ্ত, কানাডা থেকে ওয়াহিদ ইবনে রেজা। সংগীত বাছাই ও তত্ত্বাবধানে আছেন শফি ম-ল, রাফা, কলকাতার উপল সেনগুপ্ত, গৌরব চ্যাটার্জি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাসেল আলী, যুক্তরাজ্য থেকে রাজা কাশেফ ও রুবাইয়াত জাহান। জানা যায়, এই প্লাটফর্মে চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, কার্টুন ও অলংকরণ, গান, যন্ত্রসংগীত, কবিতা, ছোটগল্প বা তিন মিনিটের চলচ্চিত্র জমা দেওয়া যাবে।

সেই সঙ্গে শিশুরাও জমা দিতে পারবে তাদের তৈরি যেকোনো শিল্পকর্ম। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা নওশাবা বলেন, ‘নতুন একটি ভোরে এই নতুন শিল্পকর্মগুলো সবার সামনে নিয়ে আসব।

উপস্থাপন করব সবার সৃষ্টিকে এক ঐতিহাসিক শিল্প-দলিল হিসেবে। সেই সঙ্গে এই শিল্পকর্মগুলোর প্রদর্শন ও অনলাইনে বিক্রয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ সাহায্য হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হবে এই ক্রান্তিলগ্নে জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করতে থাকা মানুষগুলোর হাতে।’ মৌলিক ও অপ্রকাশিত শিল্পকর্মটি ২৯ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে পাঠাতে হবে। পাঠানোর ঠিকানা:

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *