নতুন বছর, ‘হু আর ইউ’ এবং নতুনের রাজকাহন

মোমিন মেহেদী :
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে নতুন প্রজন্মের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরু আলম লড়েছেন। আলম মনের সাহসে সাহসী হয়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন নিবেদিত থাকার জন্য। দেশ ও মানুষের জন্য নিরন্তর এই চেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন নতুন প্রজন্মের-নতুনধারার রাজনীতিকগণ। কিন্তু তাকে রক্ষা করতে পারেন নি স্থানিয় সন্ত্রাসী-স্বাধীনতা বিরোধী-দুর্নীতিবাজ-জঙ্গীদের রাজনৈতিক আগ্রাসন থেকে। কারণ একটাই, এই দেশে সত্যিকারের সুস্থ্যধারার রাজনীতিকদেও কোন দাম নাই। আছে তাদের দাম, যারা রাজনীতিকে করেছেন ধনী হবার হাতিয়ার। হয়তো এ কারনেই কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে ধানের শীষের কর্মীদের হামলায় আজিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত ও নাজমুল হুদা ডুয়েল নামে এক ইউপি সদস্য আহত হয়েছেন। বিএনপি কর্মীদের হামলায় আজিজুল ইসলাম নিহত হয়েছেন। কেন্দ্র দখলে বাধা দিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। আহত আজিজুল ইসলামকে হাসপাতালে নেয়ার সময় মারা যান। তিনি বাগইল গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে। তবে ওই আসনে বিএনপি প্রার্থী মোশাররফ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বগুড়া-৪ আসনের নন্দীগ্রাম উপজেলার রনবাঘা এলাকায় কেন্দ্রের বাইরে নৌকা ও ধানের শীষের প্রার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ৩ জন আহত হন। আর এমন আহম-নিহত রাজনৈতিক আগ্রাসনে নির্মমমতায় আমাদের দেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৮টির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। একটিতে প্রার্থী মারা যাওয়ায় আগেই নির্বাচন পিছিয়ে দেয়া হয়। আর একটি আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত থাকায় ফল ঘোষণা করা হয়নি। আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন চত্বরে নির্বাচনী তথ্য সরবরাহ কেন্দ্রে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তাতে উঠে আসে- ২৯৮ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (নৌকা) ২৬৫টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ২২টি। বিএনপি (ধানের শীষ) ৬টি ও গণফোরাম একজন ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া একটি আসনে জয়ী হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটগতভাবে পেয়েছে ৮টি আসন। এ ছাড়া মহাজোটের শরিক বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২, তরিকত ফেডারেশন ১, জাতীয় পার্টি (জেপি) ১ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২টি আসনে জয়ী হয়েছে। মহাজোটের শরিকরা ২৯টি আসন পেলেও ২০ দলের শরিক দলগুলো একটি আসনেও জয়ী হতে পারেনি। ১০টি ছাড়া বাকিগুলো সব আসনে মহাজোট প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী- বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, কেন্দ্র দখলের চেষ্টা আর সংঘাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ১৭ জেলায় ২১ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৩ জন, রাজশাহী ২ জন, কুমিল্লা ২ জন এবং রাঙ্গামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, সিলেট, নরসিংদী, লালমনিরহাট, বগুড়া, নাটোর, দিনাজপুর, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুর, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও যশোরে ১ জন করে মারা গেছেন। নিহতদের ৮ জন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক এবং ৯ জন বিএনপির কর্মী-সমর্থক। আহত হয়েছেন ঢাকা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদসহ প্রায় ৭শ’ জন, যার মধ্যে অন্তত ১৮ জন গুলিবিদ্ধ। দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট হলেও চট্টগ্রাম, নোয়াখালীসহ কয়েকটি স্থানে আগের রাতেই সংঘাত শুরু হয়। ভোটের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে জাল ভোট দেয়া, ব্যালট পেপার ছিনতাই, কেন্দ্র দখল, ককটেল বিস্ফোরণ, গুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অনেক স্থানেই বিএনপির কোনো এজেন্ট ছিল না। অন্তত ২০ জেলায় বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটির প্রার্থীরা। অনেক কেন্দ্রে ভোটারদের ঢুকতে বাধা দেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া জাল ভোট দেয়া, ব্যালট পেপার ছিনতাই, কেন্দ্র দখল, ককটেল বিস্ফোরণসহ নানা অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক প্রার্থী।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত ৪৮ বছরের সকল ইতিহাস পেছনে ফেলে লোভি-লম্পট-দুর্নীতিবাজ-জঙ্গীদের রাজত্ব নির্মিত হয়েছে এই নির্বাচনে। নির্বাচিত হয়েছেন ইয়াবা বাবা খ্যাত ইয়াবা ব্যবসায়ী এমপি বদীর স্ত্রী শাহীন-এর মত মানুষও। যা সত্যিকার্থেই নতুন প্রজন্মেও রাজনীতিকদের জন্য লজ্জার-ঘৃণার। এই ঘৃণার জন্ম হয়েছে যে সকল কারণে, তার মধ্যে অন্যতম হলো- নির্মমতা। বিশেষ করে রাজনৈতিক আগ্রাসনের কারনে চট্টগ্রামের পটিয়ায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষে আবু সাদেক নামে এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন। উপজেলার ঝিরি এলাকায় চট্টগ্রাম-১২ আসনের বিএনপি প্রার্থী এনামুল হকের বাড়ির সামনে ওই সংঘর্ষ হয়। এদিকে বাঁশখালী উপজেলার কাঠারিয়া ইউনিয়নের বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশ গুলি ছুড়লে জাতীয় পার্টির আহমেদ কবির নামে একজন নিহত হন। এ সময় ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। আহতরা হলেন ফরিদুল আলম, সালেহ আহমেদ, হাসান মুরাদ, মিজানুর রহমান, মো. মুরাদ, তারেক ও মিনহাজ। জামায়াত কর্মীদের গুলিতে তারা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে পটিয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে দ্বীন মোহাম্মদ নামে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। তিনি কুসুমপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য। চট্টগ্রাম-৫ (বায়েজিদ আংশিক) হাটহাজারী আসনে সাত কেন্দ্রে পুলিশকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা ইট নিক্ষেপ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যালট ছিঁড়ে ফেলে। এ সময় পুলিশ ফাঁকা গুলি করে। এ সব ঘটনায় সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। সাতকানিয়ার সৈয়দাবাদ স্কুল, সোনাকানিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডেমসা বোর্ড অফিস, বড়হাতিয়া, সৈয়দ হাজী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ২০টি কেন্দ্রে সংঘর্ষ, পুলিশের গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ৩৫ জন আহত হয়েছেন। এদিকে শতাধিক কেন্দ্রে ভোটের আগের রাতেই নৌকায় সিল মেলে বাক্স ভরা হয় বলে অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম ১৫ আসনের ধানের শীষের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট। চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুন্ড আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর বড় ভাই ইসহাক কাদের চৌধুরীর ওপর ককটেল হামলা হয়। এতে তিনিসহ ৫ জন আহত হন। অন্যরা হলেন- প্রার্থীর চাচাতো ভাই শামসুল হক চৌধুরী বাবুল, মেয়ে শর্মীলা চৌধুরী ও ভাতিজা আদনান চৌধুরী।
এমন আহত আর নিহত রাজনীতি তরুণরা চায় না বলেই বারবার বিজয়বাংলাদেশ শ্লোগানে নিরন্তর এগিয়ে চলার চেষ্টা করেছে। কিন্তু অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ছলাকলার রাজনীতিক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, জোনায়েদ সাকী, রাজেকুজ্হামান রতন, খালেকুজ্জামান, সাইফুল হক, বদরুদ্দীন উমর আর নাম না জানা নির্লজ্জ জানোয়ার টাইপের অসংখ্য রাজনীতিকের কারনে। যারা বহুদলীয় গণতন্ত্রের রাজনীতির নামে স্বৈরতন্ত্রকে বারবার হালাল করার জন্য হালুয়া-রুটি ভাগাভাগি রাজনীতিতে ঝাপিয়ে পড়ে রাজনীতিকে- দেশের মানুষকে-মানচিত্রকে করেছে অসহায়। আর এই সুযোগে গড়ে উঠেছে তান্ডবের রাজনীতি। হিরো আলমের মত মানুষ-এর উপর হিং¯্রতায় ঝাপিয়ে পড়ছে ‘হু আর ইউ’ প্রশ্ন করতে করতে। যে কারনে আজ জনগনের রাজনীতিতে যুক্ততার ২২ বছর পরও আমার প্রিয় বরিশাল-৪ বাসীকে মুক্তি দিতে পারিনি দুর্নীতির হাত থেকে। লড়তে পারিনি নির্বাচনের মাঠে। একদিকে হামলা, অন্যদিকে মামলার পাশাপাশি সন্ত্রাসীদেও সরাসরি কিলিং মিশন আমার মত হয়তো আরো অসংখ্য তরুণকে স্তব্ধ করে রেখেছে। এই সুযোগে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসের হাত ধরে রাজশাহীর ৬টি আসনের মধ্যে তিনটির ভোট কেন্দ্রগুলোতে বিকাল পর্যন্ত থেমে থেমে চলে হামলা ও সংঘর্ষ। এতে মোহনপুর ও তানোরে দু’জন নিহত হয়। আহত হয় ৩০ জন। সহিংসতার পর বিকালে ভোটাররা আর কেন্দ্রে যাননি। ওই তিনটি আসনের অর্ধশতাধিক কেন্দ্রে সাময়িকভাবে ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। রাজশাহী-৩ (মোহনপুর-পবা) আসনের অনেক কেন্দ্র দখল হয়ে যায়। মোহনপুরের জাহানাবাদ ইউনিয়নের পাকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মাইক্রোবাসে করে আসা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করে। এতে পাইকপাড়া গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে মিরাজুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন। পরে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মিরাজ নিহত হওয়ার পর ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়ে যায়। রাজশাহী-১ আসনের তানোরের কামারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলমা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখল নিয়ে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া হয়। ফলে এই দুই কেন্দ্রের ভোটাররা আর ভোট দিতে পারেননি। পাঁচন্দর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে পাঁচন্দর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোদাচ্ছের আলী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তানোর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরীর সমর্থকরা কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়। গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে সহিংসতায় ১০ জন আহত হয়। কুমিল্লা : কুমিল্লা-১০ আসনে বাচ্চু মিয়া (৪৮) নামে এক বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মজিবুর পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন এ আসনে ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী অ্যাডভোকেট রেদোয়ান আহমেদ। কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের কাশখালী এলাকায় যুবদলের সঙ্গে সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবলীগের সম্পাদক বাশির উদ্দিন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে ভোট দিতে গিয়ে সংঘর্ষের সময় পুলিশের গুলিতে ইসরাইল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত ইসরাইল রাজঘর গ্রামের ছায়েদ মিয়ার ছেলে।
এত মৃত্যু, এত হামলার পরও রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, ধানের শীষের এজেন্টরা কেন্দ্রে না এলে কী করার? তারা কেন্দ্রে কেন আসেননি বা কেন কোনো এজেন্ট নেই- সেটা প্রার্থীর নির্ধারিত এজেন্টরাই বলতে পারবেন।
ভালো বলেছেন তিনি, আমরা তাকে কিন্তু চিনি। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধনের জন্য নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি ১৫৬ কমিটি, ২ শ কওে ভোটারের স্বাক্ষর, ঘোষণাপত্র, বিধিমালা, চালানের কপি সহ সকল শর্ত পূরণ করে আবেদন করা স্বত্বেও নিবন্ধন থেকে বঞ্চিত করেছেন। নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় আসীন হওয়া স্বত্বেও ভাগ্নেকে প্রার্থী করিয়ে বিজয়ীও করেছেন। একেকবার একেকভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিকদেও সাথে প্রতারণা করেছেন। এমনকি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে ব্যপক জনপ্রিয় মাহাবুব তালুকদারকে হেয় করে কথা বলেছেন। এমন একজন নির্বোধ-অথর্ব লোক কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচনের মানে বুঝবেন না। এটাই স্বাভাবিক। তবু বাংলাদেশ স্বাধীনতা, স্বাধীকার আর অধিকারের রাস্তায় এগিয়ে যাবেই। এগিয়ে যাবো আমরাও। সেই এগিয়ে চলায় আজ যখন নতুন প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধ তখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষায় বলতে চাই- আমাদেরকে দাবায়া রাখতে পারবা না…

মোমিন মেহেদী : চেয়ারম্যান, নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *