পরকিয়ার টানে স্বামীর সর্বোচ্চ লুটে নিয়ে পালিয়েছে স্ত্রী

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা : পরকিয়ার টানে সুমাইয়া আকতার নামে এক নববধূ স্বামীর সর্বস্ব লুটে নিয়ে পালিয়ে গেছে।
জানা গেছে, প্রায় বছর দেড়েক আগে বেদুনদিয়া কামার পাড়া এলাকার রেজা কামারের মেয়ে সুমাইয়ার সাথে বহরপুর গ্রামের ওয়ার্কসপের মালিক আশরাফুলের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম থেকেই সুমাইয়া তার স্বামীকে কৌশলে দূরে দূরে রাখার চেষ্টা করত।
কর্মঠ আশরাফুল মা ও স্ত্রীকে নিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দেই জীবন যাপন করত। আমরাফুল স্ত্রীকে টাকা পয়সা খরচ করে ঈশ্বরদী সরকারী কলেজে ভর্তিও করে দেয়। প্রতিদিন স্বামীর বাড়ি থেকেই সে কলেজ করত। মাসে ৫ হাজার টাকা খরচ করত কলেজ যাতায়াত ও এ্যান্ড্রুয়েড ফোন বাবদ। চলাফেরায় ছিল বেপরোয়াভাব। আশরাফুল সত্যিকার অর্থেই ভালবাসত স্ত্রীকে। অথচ স্বামীর সমস্ত ভালবাসাকে অপবিত্র করে সুমাইয়া গত ২ নভেম্বর সকালে স্বামী আমরাফুলের বাড়ি হতে প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়ির যাবতীয় মালামাল, নগদ ৯০ হাজার টাকা, ৪ ভরি সোনার গহনা, পোষাক পরিচ্ছেদ, আশবাবপত্র, টিভি, বিছানপত্রসহ অন্যান্য জিনিষ ডাকাতির ভয়ে বাপের বাড়ি রেখে আসার কথা বলে দুই অটো ভরে নিয়ে গিয়ে আর ফিরে আসেনী। অনেক খোঁজাখুজির পরে আশরাফুলের শ্বশুর বাড়ির লোকজন আশরাফুলকে ডেকে মান সম্মান নষ্ট হওয়ার কথা বলে বিষয়টি চেপে থাকতে বলেন এবং আশরাফুলকে দিয়ে থানায় নাম মাত্র জিডি দায়ের করেন।
চারিদিকে অনেক খোজা খুজি করেও তার কোন সন্ধান মিলে না। তার পিতা মাতা ও আত্মীয় স্বজনকে বার খোঁজ করতে বললেও তারা পুরা বিষয়টি না জানার ভান করে চেপে যায়। উল্টো আশরাফুলকে ফাঁসানোর জন্য ভয়-ভীতি দেখায়।
অবশেষে জানা গেছে, সুমাইয়া তার পরকিয়া প্রেমিক আপন মামার শ্যালক অরনকোলা চকনারিচা গ্রামের মন্টু নাইটগার্ডের ছেলে মারুফের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে। বর্তমানে তারা ঢাকার গাজিপুরে একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরীতে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *