পাবনায় জনসচেতনায় কাজ করছে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা

আর কে আকাশ, (পাবনা): করোনার এই মহাসংকটকালেও ঈদকে সামনে রেখে বিপণি-বিতানমুখী জনগণ। কাজ ছাড়াই অকারণে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাইরে। করোনার এই মহাসংকটকালে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। সর্বশেষ পাবনায় ৩১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তবু মানুষ অসচেতনভাবে বিভিন্ন অজুহাতে বাইরে ঘোরাঘুরি করছে।

এমন অবস্থায় জীবনের মায়া ত্যাগ করে সামাজিক দুরত্ব মেনে পাবনাবাসীকে সচেতন করতে বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে “তারুণ্যের অগ্রযাত্রা বাংলাদেশ”।
করোনার শুরু থেকেই সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক জুবায়ের খান প্রিন্স এর নেতৃত্বে তারুণ্যের অগ্রযাত্রার সৈনিকরা কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার বেলা ১১টা থেকে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ শহরের তাড়াশ ভবন, বিনা-বাণি হল, নিক্সন মার্কেট, ইন্দ্রারা মোড়, এআর প্লাজা, এআর কর্ণার, পাঁচমাথা মোড়, হাজী মহসিন রোড, দই বাজার মোড়, আওরঙ্গজেব রোড, নিউ মার্কেট, রবিউল মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে করোনা থেকে বাঁচতে সচেতনতামূলক বিভিন্ন পোস্টার/লিফলেট নিয়ে মানববন্ধনের পাশাপাশি মানুষকে সচেতনতামূলক বক্তব্য দেন।

এসময় সংগঠনটির সদস্যবৃন্দ করোনার এই দুঃসময়ে দেশের সূর্যসন্তান পুলিশ, ডাক্তার, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন অনুপ্রেরণামূলক স্লোগান সম্বলিত পোস্টার শহরের বিভিন্ন স্থানে টানিয়ে দেন।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক জুবায়ের খান প্রিন্স বলেন, “তারুণ্যের অগ্রযাত্রা বাংলাদেশ” করোনা পরিস্থিতিতে সংকটয়ময় অবস্থা সৃষ্টির পর থেকে নিয়মিত মাইক নিয়ে তৃণমূলে সচেতন করা, তাদের তৈরি পাবনার বিভিন্ন পয়েন্টে মানবতার দেয়ালে সাবান, মাস্ক, জীবানুনাশক পাউডার ও খাদ্য পলিব্যাগে ঝুলিয়ে রাখা, নিম্ন বিত্তদের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদের ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়া, পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটকে সহযোগিতা করতে তাদের সাথে থেকে সাধারণ জনগণকে বোঝানো।

সামর্থবানদের সহযোগিতা করতে উদ্বুদ্ধ করা, নিয়মিত সচতনতামূলক পোস্টার, লিফলেট বিতরণ করা সহ অনলাইনেও ২৪ ঘন্টা সাধারণ মানুষকে সচেতন করে আসছে। তিনি আরও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে আমরা একদিনও ঘরে বসে থাকিনি। জীবন বাজি রেখে নিয়মিত মানবিক কাজে লড়ে যাচ্ছে তারুণ্যের অগ্রযাত্রার এই সৈনিকেরা।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *