পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আওয়ামী লীগের সাত বিএনপির তিন প্রার্থী

এসএম মোফাজ্জল হোসেন বাবু: পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) নির্বাচনী আসনে নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করেছে। অনেকেই নিজেদের নামে পোষ্টার ও বিলবোর্ড দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। আবার কেউ কেউ রাজনীতির মাঠে ময়দানে ঘুরে দলীয় নেতা কর্মিদের কাছে সমর্থন চাইছেন। নির্বাচনী এলাকার গ্রাম-গঞ্জের তৃণমুল নেতা কর্মী ও দলীয় সমর্থকদের সাথে ও কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আওয়ামীলীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। শুধু কুশল বিনিময় নয় তারা এই এলাকার উন্নয়নে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
এই আসনে আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং বিএনপির ৩ জনের নাম শোনা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের এ আসনে অন্য যারা প্রার্থী হতে তৎপরতা চালাচ্ছেন তাঁরা হলেন, পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসনের বর্তমান এমপি বেড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আজিজুল হক আরজু কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি, আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক সচিব মীর্জা আব্দুল জলিল, সাবেক এমপি তফিজ মাস্টারের ছেলে ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ কবির, রাকসুর সাবেক জি,এস ও যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির রানা, সাবেক সচিব মুজিবুর রহমান, সাবেক কেদ্রীীয় ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মতিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আব্দুল ওয়াহাব ।
জানা গেছে, পাবনা-২ (সুজানগর-বেড়া) আসনের বর্তমান এমপি বেড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আজিজুল হক আরজু তিনি হলেন আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হকের ভাই। এক সময়ের এই জাসদ নেতার বাড়ি বেড়া উপজেলায় হলেও এই আসনের মুল এলাকা সুজানগরের সব প্রার্থীকে পিছনে ফেলে মনোনয়ন লাভ করে চমক সৃষ্টি করেছিলেন। এবার তাঁর মনোনয়ন পাবার সম্ভবনা ক্ষীণ। অন্যদিকে কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি আ’লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক সচিব মীর্জা আব্দুল জলিল, সাবেক এমপি তফিজ মাস্টারের ছেলে ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ কবির, রাকসুর সাবেক জি,এস ও যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির রানা, সাবেক সচিব মুজিবুর রহমান, সাবেক কেদ্রীীয় ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল মতিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আব্দুল ওয়াহাব। বর্তমান এমপির মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ হওয়ায় আলোচিত এসব প্রার্থীদের মধ্যেই একজন মনোনয়ন পাবেন বলে মনে করছেন এলাকা বাসী। বিভিন্ন সময় এসব নেতারা দলীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও এলাকার মানুষদের মাঝে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউর রহিম লাল বলেন, নির্বাচিত এলাকায় গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকেই মনোনয়নের জন্য কেন্দ্রে তালিকা পাঠানো হবে। অন্যদিকে সৎ, যোগ্যও হতে হবে তাকে। তিনি জনগনের পাশে থাকছেন সব সময় এবং দলের নেতাকর্মী ও দলীয় কর্মসূচীতে সব সময় কাজ করছেন তাকেইে মনোনয়ন দেবে কেন্দ্রীয় কমিটি।
বিএনপির আলোচনা তিন জনকে ঘিরে
একিকে এই আসনে বিএনপি থেকে সাবেক সাংসদ সেলিম রেজা হাবিব, বিএনপি নেতা আব্দুল হালীম সাজ্জাদ, কেন্দ্রীীয় বিএনপি নেতা কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের নাম শোনা যাচ্ছে।
তবে এই আসনে সাধারণ মানুষ বলছেন, বিএনপির কোন দলীয় কর্মসূচী পালন করা হয় না। এবং এসব নেতাদের মাঠেও দেখা যায় না। নির্বাচনের আগে তারা এলাকায় এসে প্রচারণায় ব্যস্ত থাকে।
এ ব্যাপারে পাবনা জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম কে বলেন, সব সময় দলের সঙ্গে জিনি আছেন এবং জনগন ও দলীয় কর্মসূচী পালন করে দলের জন্য কাজ করছেন তাকেই কেন্দ্র নাম পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *