মুজিববর্ষ উপলক্ষে বনমালীর আয়োজনে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা : পাবনায় বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের আয়োজনে মুজিববর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় স্থানীয় সাংস্কৃতিকর্মীদের পরিবেশনায় ‘হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে এবারে এই সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন।

একঝাঁক নবীন ও প্রবীণ শিল্পিদের সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধুর স্মরণে অনুষ্ঠানটি সমন্বয়কারী ছিলেন সাংস্কৃতি কর্মী প্রলয় চাকী। দর্শনীর বিনিময়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি উপভোগের জন্য পাবনার সকল সাংস্কৃতি কর্মীসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ স্বপরিবারের উপস্থিত হন বনমালী প্রাঙ্গণে।

সারে আটশত আসনের আধুনিক বনমালী শিল্পকলাকেন্দ্রে দর্শক ছিলো কানায় কানায় পরিপূর্ণ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রর্দশন করেন আয়োজক ও উপস্থিত দর্শকেরা।

পাবনা বনমালী শিল্পকলাকেন্দ্র মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে মার্চ মাসের প্রথম থেকেই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। মুক্তিযুদ্ধের নাটক, কবিতা, নাচ ও গানের আসরের আয়োজন চলেছে প্রতিনিয়িত। দেশের বিভিন্ন জেলা ও স্থানীয় শিল্পিদের নিয়ে চলছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এবারের আয়োজনের মধ্যে ছিলো নবীন ও প্রবীণদের সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সমবেত সঙ্গীত, আবৃত্তি, দলীয় নৃত্য ও দেশাত্ববোধক গানের পরিবেশনা। সাদা পোশাকে শিশু শিল্পিরা মঞ্চে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সমবেত সঙ্গীত পরিবেশনের করেন।

আর লাল সবুজের পোশাকে নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পিরা। মঞ্চে আলোক প্রক্ষেপন সাজসজ্জা আর নৃত্যের তালে দর্শক মন ছুয়ে যায়। কবিতা, নৃত্য, একক ও সমবেত পরিবেশনায় সমন্বয় করেছেন আফরোজা সুলতানা ঝড়া, আবুল কাশেম, হাবিবুল্লাহ জোয়াদ্দার, পরজ কুমার চক্রবর্তী প্রমুখ।

সন্ধ্যা সাতটায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে শেষ হয় রাত ৯টায়। এবারের আয়োজনের দর্শক প্রবেশের মূল ফটকে করোনা ভাইরাস সতর্কতা ব্যবস্থা গ্রহনে করেছিলেন বনমালী কর্তৃপক্ষ। প্রত্যেক দর্শককে নিরাপত্তা পরিক্ষাসহ হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার জেল লাগিয়ে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেন ধ্রুব কনস্ট্রাকশন লিমিটিড ও সার্বিক সমন্বয় করেন পাবনা বনমালী শিল্পকলাকেন্দ্রের সাধারন সম্পাদক ড. মোহম্মদ হাবিবুল্লাহ।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *