রেকর্ড গড়ে ৩০০ ছুঁয়ে সামনে তাকিয়ে রশিদ

স্পোর্টস: জোড়া রেকর্ড গড়ে ৩০০ টি-টোয়েন্টি উইকেট ছোঁয়ার পর রশিদ খান তাকিয়ে সামনে। আফগানিস্তানের লেগ স্পিন জাদুকর ছড়াতে চান আরও বিস্ময়, গড়তে চান নতুন সব কীর্তি, উপহার দিতে চান আরও রেকর্ড। বারবাডোজ ট্রাইডেন্টসের হয়ে এখন ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন রশিদ। মাইলফলক অর্জন করেছেন সেখানেই। গত বৃহস্পতিবার সেন্ট লুসিয়া জুকসের বিপক্ষে ম্যাচে ২ উইকেট নেওয়ার পথে স্পর্শ করেছেন ৩০০ টি-টোয়েন্টি উইকেট। নাম লিখিয়েছেন দুটি রেকর্ডে।

সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ উইকেটের রেকর্ড এখন রশিদের। ২১ বছর ৩৩৫ দিন বয়সে পা রেখেছেন এই মাইলফলকে। আগের রেকর্ডটি ছিল সুনিল নারাইনের। ২০১৭ সালে ৩০০ উইকেট ছোঁয়ার দিন এই ক্যারিবিয়ান স্পিনারের বয়স ছিল ২৯ বছর ১৭৫ দিন। ম্যাচের হিসেবে সবচেয়ে গতিময়তায় এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন রশিদ।

২১৩ ম্যাচ লেগেছে তার। দ্রুততম ৩০০ উইকেটের আগের রেকর্ড ছিল শ্রীলঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গার ২২২ ম্যাচ। রেকর্ড গড়ার পর সিপিএলের অফিসিয়াল ব্রডকাস্টারের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে রশিদ জানালেন, আরও অনেক কিছু অর্জন করতে চান তিনি। “ এটির মূল্য অনেক।

এত কম সময়ে ও কম ম্যাচ খেলে এই উচ্চতা স্পর্শ করা বড় ব্যাপার। এসব অর্জন আরও ভালো কিছু করতে প্রাণশক্তি ও প্রেরণা জোগায়।” “রেকর্ড গড়ার সুযোগ সবসময় থাকে। আমার মানসিকতা হলো এই ধারাবাহিকতা বাকি ম্যাচগুলিতে, ক্যারিয়ার জুড়েই ধরে রাখা। এত কম সময়ে এই রেকর্ড গড়া অবশ্যই আমাকে উজ্জীবিত করছে। এখন চেষ্টা থাকবে আরও নতুন কিছু করার।

আশা করি আরও অনেক অনেক কিছু করতে পারব।” রশিদের ৩০০তম শিকার আফগানিস্তানেরই আরেক তারকা মোহাম্মদ নবি। স্বদেশিকে বিদায় করে মাইলফলক ছুঁতে পারা তার খুশি বাড়িয়ে দিয়েছে আরও। “ স্পেশাল একটি উইকেট নিয়ে ৩০০ উইকেটে পা রাখা দারুণ আনন্দের। মাইলফলকের জন্য এর চেয়ে সেরা শিকার আর হতে পারে না।

নিজ দেশেরই একজন, আমার রেকর্ডের সঙ্গে সেও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেল। ভালো লাগছে, সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে।” সব মিলিয়ে অষ্টম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টতে ৩০০ উইকেট নিয়েছেন রশিদ। বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি লিগগুলোয় তিনি দারুণ কাক্সিক্ষত এক ক্রিকেটার।

আফগানিস্তানের বাইরে নিয়মিত পারফর্ম করে চলেছেন আইপিএল, বিগ ব্যাশ, বিপিএল, সিপিএল, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *