সমালোচকদের একহাত নিলেন কামরান আকমল
স্পোর্টস: ৪০ ছুঁইছুঁই মোহাম্মদ হাফিজের খেলা চালিয়ে যাওয়া, তাকে দলে সুযোগ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। আমজনতার পাশাপাশি সেই মিছিলে সামিল ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও। কিন্তু ইংল্যান্ডে হাফিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর তার হয়ে সমালোচকদের একহাত নিলেন কামরান আকমল। এই কিপার-ব্যাটসম্যানের আশা, এবার শিক্ষা হয়েছে সবার।
ইংল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি সিরিজর শেষ দুই ম্যাচে হাফিজ খেলেছেন ৩৬ বলে ৬৯ ও ৫২ বলে ৮৬ রানের দারুণ দুটি ইনিংস। তার সৌজন্যেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ ড্র করতে পেরেছে পাকিস্তান। ম্যান অব দা সিরিজ হয়েছেন তিনিই। সিরিজের আগে রমিজ রাজাসহ পাকিস্তানের অনেকেই হাফিজকে বলেছেন অবসরে নিয়ে তরুণদের সুযোগ দিতে।
পাকিস্তানের একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আকমল বললেন, এত সহজেই কাউকে বাতিল বলতে নেই। “এসব ঘটনা আমি অনেক দেখেছি, কোনো একজন সম্পর্কে না জেনেই লোকে তার শেষ দেখে ফেলে। তারা জানেও না, জাতীয় দলে আসতে ওই ক্রিকেটারকে কতটা কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। খুব সহজেই লোকে বলে দেয়, অমুক শেষ, তার বদলে অন্যকে নাও।”
“ আমাদের এখানে সাবেক ক্রিকেটারসহ কত লোকে বলেছে হাফিজের বদলে অন্য কাউকে নিতে। এখন সেই হাফিজই পাকিস্তানকে জিততে সহায়তা করেছে। ওই লোকগুলোর এখন মুখ দেখানোর উপায় নেই। আশা করি, তাদের এখন শিক্ষা হয়েছে।” ইংল্যান্ড সফরের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে বাবর আজমকেও। কদিন আগেও যিনি ছিলেন টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটসম্যান, এই সংস্করণে দারুণ ধারাবাহিক, সেই বাবর যথেষ্ট দ্রুতগতিতে রান করছেন না বলে সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেকদের কয়েকজন। এতেও হতাশ আকমল।
“ বড় ট্র্যাজেডি হলো, লোকে আমাদের এক নম্বর ব্যাটসম্যান বাবর আজমের সমালোচনা শুরু করেছে যে সে যথেষ্ট দ্রুতগতিতে রান করছে না বা ম্যাচ জেতাচ্ছে না। অথচ আমাদের উন্নতি করতে হলে, সমালোচনা না করে উৎসাহ দেওয়া উচিত ওকে।”
“ দল হিসেবে এগোতে হলে বাবরের মতো একজনের সমালোচনা না করে তাকে প্রেরণা জোগানো উচিত। ম্যানেজমেন্টেরও এটা দায়িত্ব, নিজেদের পছন্দের কয়েকজনের কথা শুধু না ভেবে সব ক্রিকেটারদের দেখভাল করা ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোয় সহায়তা করা।”