সাঁথিয়ায় অসহায় বিধবার ইজ্জতের মূল্য ১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা : পাবনার সাঁথিয়ায় উপজেলার রঘুরামপুর গ্রামের এক অসহায় হত দারিদ্র বিধবার ইজ্জতের মূল্য ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ওই বিধবা হহিলাকে  ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের মৃত দানেজ মোল্লার ছেলে মাজেদ মোল্লা (৬৫) এর বিরুদ্ধে।
অভিযোগে জানাযায়, বিধবা হতদারিদ্র মহিলা (৬২) শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশে ট্রেন রাস্তার উত্তর পাশে পাটের জমিতে শাক তুলতে যায়। এমন সময় পাটের জমিতে থাকা মাজেদ মোল্লা (৬৫) বিধবাকে ঝাঁপটে ধরে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় মহিলার চিৎকারের শব্দ পেয়ে ওই গ্রামের রেজাই এগিয়ে গেলে তাদেরকে অপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পায়। রেজাই ধর্ষককে ধরলে সে শরীরে থাকা গেঞ্জি রেখেই দৌঁড়ে পালায়। বিধবা মহিলা জানান, আমাকে জোর করে পাট খেতে নিয়ে মাজেদ ধর্ষণ করে। শুকবার দিন গত রাতে রঘুরামপুর গ্রামের আজগর আলীর বাড়িতে মিমাংশার চেষ্টা করে তা ব্যর্থ হয়। পরে শনিবার ধর্ষিতা বিধবা নারী দুই আত্বীয়কে সাথে নিয়ে সাঁথিয়া থানায় মামলা করতে যান। অজ্ঞাত কারণে থানা পুলিশ রাত ১২টা পর্যন্ত থানায় মহিলাকে বসিয়ে রাখেন। পরে দুই পক্ষের সম্মতিতে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও মেম্বারের উপস্থিতে থানা চত্বও থেকেই ধর্ষিতাকে ১০ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকেই অসহায় বিধবাকে বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে না। ধর্ষকের আত্বীয়দের ভয়ে ওই মহিলা বাড়ি ছাড়া বলে স্থানীয়রা জানান।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় কতিপয় সাংবাদিককে সংবাদ প্রকাশ না করার সর্তে টাকা দেওয়া হয়েছে মর্মে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে থানায় উপস্থিত থাকা গ্রাম্য প্রধানরা জানান, মহিলাকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। তাকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বলা হয়েছে।
ধর্ষিত মহিলার আত্বীয় আব্দুল সামাদ জানান, থানায় আমাদের আটকিয়ে রাখা হয়। পরবর্তিতে এ ঘটনা নিয়ে কোন অভিযোগ না করার সর্তে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখা হয়।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিফ মোহাম্মদ সিদ্দুকুল ইসলাম জানান, এবিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ করা হয়নি। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেব।
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *