সুজানগরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগ; ধর্ষক আটক 

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামের এক দরিদ্র কৃষকের ৭ বছরে কন্যা শিশুকে ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ১৪ নভেম্বর (রবিবার) বেলা ১২ টার দিকে ভিকটিক শিশুটির নানা কৃষক মোতাহার প্রামানকি নিজে বাদী হয়ে সুজানগর থানাতে একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে এই ঘটনা এলাকায় জানাজানী হলে ধর্ষক ভ্যান চালক মজিদ শেখ(৪২)কে স্থানীয়রা সকাল ৯টার দিকে কামালপুর বাজার এলাকা থেকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সপর্দ করেন। ধর্ষক মজিদ একই এলাকার মৃত,ছকির শেখের ছেলে।
ঘটনার বিষয়ে শিশুটির নানা  মোতাহার প্রামানিক বলেন, এই ঘটনাটি ৪/৫দিন আগে চলতি মাসের ৯ তারিখে হয়েছে। এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলার জন্য আমরা কোন কিছু করতে পারি নাই। বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানেন। ঘটনার পরে ধর্ষক আত্মগোপনে ছিলো। ১৪ নভেম্বর (রবিবার) সকালে তাকে পাশবর্তী এলাকায় ভ্যান চালানো অবস্থায় আটক করি আমরা। পরে স্থানীয় থানা পুলিশ তাকে আট করে থানাতে নিয়ে আসে। পরে আমরা থানাতে গিয়ে ওই ধর্ষকের নামে মামলা দায়ের করেছি।
ঘটনার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ওই দিনে আমি আমাদের এলাকার সোনাতলা বিলে মাছ ধরছিলাম। বাড়ির পাশ দিয়ে ভ্যান চালিয়ে আসছিলো ওই ধর্ষক। তার ভ্যানে উঠিয়ে দিয়েছিলো ওর নানী আমার কাছে অসার জন্য। সে আমার শিশু নাতনীকে বিলের মাঝে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষনের চেষ্টা করে। বিষয়টি সে তার নানীকে বাড়িতে গিয়ে বলে দেয়। পরে ওর নানী আমাকে বলে। ওর বাবা বাহিরে থাকে মেয়ে ও নাতনী আমাদের কাছে থাকেন। কি করে এই কথা বলি বলেন সবাইকে। সমাজের এত অবক্ষয় হইছে শিশুরা নিস্তার পাচ্ছেনা। আমি ওই ধর্ষকের কঠিন শাস্তি চাই।
পাবনা সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাটি বেশ কয়েকদিন আগে হলেও ১৪ নভেম্বর আমাদের কাছে ভিকটিমের নানা লিখিত অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় ধর্ষন মামলার অভিযুক্ত একই এলাকার মৃত, ছকির শেখের ছেলে ভ্যান চালক আব্দুল মজিদ শেখ(৪২) কে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই দিনের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে আমাদের কাছে। তাকে আইনগত পক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর ভিকটিমকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য পরিবার ও পুলিশের সাথে পাঠানো হয়েছে। এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এস আই বিল্লাল হোসেনকে। তিনি ঘটনার পুরো বিষয় তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিবেন। প্রাথমিক ভাবে বলা যায় ওই শিশুটির সাথে ধর্ষনের চেষ্টা করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনার প্রতিবেদন আদালতে পেশ করা হবে।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *