হেইন্স দুঃসময়ে ব্র্যাথওয়েটের দাওয়াই

স্পোর্টস: ৯ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারে এতটা বাজে সময় আর আসেনি ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের। দুই বছর হতে চলেছে, তার ব্যাটে নেই ফিফটি। ফর্মে ফিরতে মরিয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার কথা বলেছেন এক পূর্বসূরীর সঙ্গে। কিংবদন্তি ওপেনার ডেসমন্ড হেইন্সের পরামর্শে ব্র্যাথওয়েট চেষ্টা করছেন আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে। ২০১৮ সালের জুলাইয়ে দেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে টানা দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির পর এখন পর্যন্ত টানা ২১ ইনিংসে আর ফিফটির দেখা পাননি ব্র্যাথওয়েট। তার ৫৯ টেস্টের ক্যারিয়ারে এত দীর্ঘ খরা আর আসেনি।

দল অবশ্য তার সামর্থ্যে আস্থা হারায়নি। ইংল্যান্ড সফরেও জায়গা পেয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোয়াডে। তবে ব্র্যাথওয়েট জানেন, তার রানে ফেরা কতটা জরুরি। এজন্যই শরণাপন্ন হয়েছিলেন হেইন্সের। হেইন্স-ব্র্যাথওয়েট, দুজনই বারবাডোজের। সর্বকালের সেরা ওপেনারদের একজন হেইন্স আগেও কাজ করেছেন ব্র্যাথওয়েটের সঙ্গে। সেবার মূল কাজ ছিল টেকনিক্যাল দিক নিয়ে। এবার মূলত মানসিক দিক নিয়েই কাজ হয়েছে, ম্যানচেস্টারে ভিডিও কনফারেন্সে জানালেন ব্র্যাথওয়েট।

“ বারবাডোজে ডেসমন্ড হেইন্সের সঙ্গে কথা বলেছি আমি। আমাদের দুজনের সম্পর্ক সবসময়ই ভালো। আমি যখন বারবাডোজ দলে আসি, তিনিই তখন ছিলেন ম্যানেজার। তখন থেকেই তার সঙ্গে কথা হয়। তিনিও ছিলেন ওপেনার, তার পরামর্শ তাই কাজে দেয়।” “ আলোচনার অনেকটা জুড়ে ছিল, সবকিছু সাধারণ রাখা, খুব জটিল করে না ভাবা। সাধারণ কিছু পরামর্শ, তার সময়ে তিনি যেভাবে এগিয়েছেন। হয়তো দিনের তিন ঘণ্টা খেলা বাকি আছে বা এক ঘণ্টা, ওপেনারদের জন্য তখন কাজটা কঠিন।

তিনি নিজে মানসিকভাবে ছিলেন খুব শক্ত, মানসিক দিকগুলি নিয়েই কথা হয়েছে এবং তিনি সহায়তা করেছেন।” ইংল্যান্ডে বেশ সুখস্মৃতি আছে ব্র্যাথওয়েটের। ২০১৭ সালে হেডিংলি টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্মরণীয় এক জয়ে দুই ইনিংসে খেলেছিলেন ১৩৪ ও ৯৫ রানের ইনিংস। তবে অতীত কোনো কাজে আসবে না, জানেন ২৭ বছর বয়সী ওপেনার। “ এই টেস্ট প্রায় তিন বছর আগের। সেদিকে তাকিয়ে আমি দেখতে পারি ভালো যা কিছু করেছিলাম, তবে সেটি এখন অতীত। এখন আমাকে নতুন করে আবার দেখাতে হবে এবং আমি প্রস্তুত, মুখিয়ে আছি মাঠে নামতে।”

“ চ্যালেঞ্জ নিতে আমি প্রস্তুতৃ এটিও জানি, দলের সবাই এখানে ভালো করতে পারে। আমাকে ইনিংস শুরু করতে হবে। নিজের দায়িত্ব আমি পালন করব। আমাদের ব্যাটিং লাইন আপ বেশ ভালো। সবাই মাঠে নামার অপেক্ষায় আছে, কোনো বাড়তি চাপ নেই।” আগামী ৮ জুলাই থেকে শুরু হবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন ম্যাচের সিরিজ।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *